ইসলামের দৃষ্টিতে সুখী পরিবার

600

happy fপরিবার সামাজিক জীবন ব্যবস্থার প্রথম অবকাঠামো। কয়েকজন মানুষকে নিয়ে গঠিত হয় পরিবার। আমরা পরিবার বলতে সাধারণত মা-বাবা, ভাই-বোনসহ বিভিন্ন আÍীয়-স্বজনকে নিয়ে গঠিত একটি কাঠামোকে বুঝি। যে কাঠামোর মাঝে একজন অধিপতি বা কর্তা থাকেন এবং থাকেন বিভিন্ন পর্যায়ভুক্ত সহযোগীরা।

পরিবার সামাজিক জীবন ব্যবস্থার প্রথম অবকাঠামো। কয়েকজন মানুষকে নিয়ে গঠিত হয় পরিবার। আমরা পরিবার বলতে সাধারণত মা-বাবা, ভাই-বোনসহ বিভিন্ন আÍীয়-স্বজনকে নিয়ে গঠিত একটি কাঠামোকে বুঝি। যে কাঠামোর মাঝে একজন অধিপতি বা কর্তা থাকেন এবং থাকেন বিভিন্ন পর্যায়ভুক্ত সহযোগীরা। হজরত আদম (আ.) এবং বিবি হাওয়া (আ.)-এর মাধ্যমেই পৃথিবীতে পরিবার তথা পারিবারিক জীবনের সূচনা ঘটেছে। তারা দু’জন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিবারের সূচনা করেন। পরিবার বা পারিবারিক জীবনের মূলমন্ত্র এবং এর মৌলিকত্ব-প্রক্রিয়া জানাতে গিয়ে আল্লাহ মহান পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন, ‘আমি প্রত্যেক কিছুর দু’জোড়া সৃষ্টি করেছি যাতে তোমরা মনোযোগ দাও’ [কোরান, ৫১:৪৯]
ইসলাম স্বীকৃত পন্থা হলো বিবাহ করার মাধ্যমে একটি নতুন পরিবারের সৃষ্টি হয়। বিবাহ পদ্ধতি অবলম্বন করার মাধ্যমে একজন নারী এবং একজন পুরুষ একটি পরিবার তৈরি করেন। বিবাহ নারী-পুরুষের মধ্যে যেমন পরিবার সৃষ্টিতে অবদান রাখে; তেমনি দাম্পত্য জীবনে পরস্পরের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা অনুরাগ সৃষ্টি করে এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন ও শান্তি সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। পারিবারিক জীবনে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সম্পূরক। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরানে ইরশাদ করেছেন, ‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা) তাদের পোশাক’। [কোরান, ২:১৮৭]
সুস্থ ও সুখী সামাজিক জীবনের জন্য বিবাহ একটি প্রয়োজনীয় পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন। পবিত্র কোরানে বিবাহ ও পারিবারিক জীবনকে পারস্পরিক সহমর্মিতা, অন্তরের অনাবিল সুখ ও শান্তির উৎস হিসেবে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে। পরিবারের জন্য তারা পরস্পর সম্পূরক। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাক।’ [কোরান, ২:১৮৭]
এ আয়াতাংশের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য হলো এ যে, পরিবারে নারী ও পুরুষের সম্পর্ক শরীর ও পোশাকের মতো। মানুষের শরীরের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বস্তু হচ্ছে তার পোশাক, এ দৃষ্টান্তটি স্বামী-স্ত্রীর নৈকট্যের পারিবারিক স্বরূপ। এ আয়াত দ্বারা পরস্পর পরস্পরের অধিকারের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুখী পরিবারের সদস্য হওয়ার এবং আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করার তওফিক দান করুন। আমিন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.