নিউইয়র্কে লখো প্রবাসীর কন্ঠে উচ্চারিত হলো জাতীয় সঙ্গীত

166

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৮তম বছরে দেশে-প্রবাসে একই সময়ে বাংলাদেশের লাখো মানুষের সাথে প্রবাসেও লাখো মানুষের কন্ঠে উচ্চারিত হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি,………’। এদিন স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে দেশে ও প্রবাসের শিশু-কিশোর-কিশোরী আর বয়োবৃদ্ধ তথা সর্বস্তরের বাংলাদেশী মানুষের মুখে উচ্চারিত হলো ‘জাতীয় সঙ্গীত’।GV-National-Anthem-Pic-1-900x450
লাখো শহীদের বিনিময়ে অর্জিত ‘লাল-সবুজ’ পতাকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে সোমবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা আর নিউইয়র্ক সময় রাত ১০টায় ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেশ-প্রবাসের লাখো মানুষ আনুষ্ঠাননিকভাবে গাইলেন জাতীয় সঙ্গীতটি। সে এক অপরূপ দৃশ্য, অন্য রকম অনুভূতি। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বজুড়ে আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত আর প্রতিধ্বনিত হলো ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি,………’। খবর ইউএনএ’র।GV-National-Anthem-Pic-2
জানা গেছে, নিউইয়র্ক ছাড়াও বিশ্বের বিভন্ন দেশের বাংলাদেশ কনস্যুলেট, হাইকমিশন, দূতাবাস বা মিশনের উদ্যোগ, আয়োজন আর ব্যবস্থাপনায় একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশেন উদ্যোগ নেয়া হয়। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত লাখো বাংলাদেশীর কন্ঠে উঠে আসে জাতীয় সঙ্গীত। নিউইয়র্ক সময় রোববার রাত ১০টায় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। এক সাথে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের পর এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা আব্দুল মুকিত চৌধুরীর নেতৃত্বে জাতীয় পতাকাকে ‘সালাম’ জানিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।GV-National-Anthem-Pic-3
এরপর কনসাল জেনারেল শামীম আহসানের স্বাগত বক্তব্যের পর জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশনে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী কন্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। সবশেষে কনসাল জেনারেল উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, কবি-সাহিত্যক, সাংবাদিক, শিল্পী-লেখক, এডভোকেট, সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.