নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর আসনে প্রার্থী স্ত্রী-ছেলে

394

সিলেট-২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দীর্ঘ অর্ধযুগ ধরে নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা ও বড় ছেলে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস। বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বর ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের স্বাক্ষাৎকার  অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এম. ইলিয়াস আলী (জন্ম ১৯৬১) হলেন জাতীয় সংসদের (২০০১-২০০৬) সাবেক সদস্য। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ২০১০ সালে নির্বাচিত হন তিনি। ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানী ঢাকায় মধ্যরাতে তাকে এবং তার গাড়ি চালককে শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল।

দুর্নীতির দায়ে কারাগারে থাকা বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার অভিযোগ, বিরোধীদের দমন নিপীড়নের অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের অপহরণ করে, কিন্তু সরকার সে দাবি বারবার অস্বীকার করেছে।

 02ইলিয়াস আলী সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রামধানায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৭ সালে বিশ্বনাথ উপজেলার রামসুন্দর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি এসএসসি পাস করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি সিলেট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিনান্স বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.কম (মাস্টার্স) ব্যাংকিংয়ে স্নাতকে নিযুক্ত ছিলেন, কিন্তু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক আইনের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন পরিচালনা করায় ১৯৮৭ সালে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

১৯৮০ সালে বিএনপির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাথে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন, যা এক বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দিন হলের মধ্যে বসবাস করেছেন। কয়েক বছরের মধ্যে, তিনি হলের নেতা হন এবং ১৯৮৩ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (জেসিডি) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য হন। ১৯৮৬ সালে, জেসিডির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব হিসাবে নির্বাচিত হন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.