পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর রাজ্যে বিএনপির হানা

124
রাজশাহী অফিস:রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন পৌরসভার বর্তমান মেয়র আক্কাস আলী। আওয়ামী লীগের  প্রার্থীকে এক হাজার ৫২৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন আবদুর রাজ্জাক।
ভোট গণনা শেষে রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ধানের শীষ প্রতীকে আবদুর রাজ্জাক পেয়েছেন ১২ হাজার ২২৮ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে আক্কাস আলী পেয়েছেন ১০ হাজার ৭০২ ভোট।received_1547634655273480এই পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে ১০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৭ হাজার ৭৮৯ জন। এর মধ্যে পরুষ ভোটার ১৪ হাজার ১৭ ও নারী ভোটার ১৩ হাজার ৭৭২ জন।ফল ঘোষণার সময় নির্বাচন অফিসের সামনে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সামান্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এর মধ্যে চকছতারি কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ১০২০, নৌকা ৫৫৭, চকছতারি মাদ্রাসা কেন্দ্রে ধানের শীষ ৭৬৫, নৌকা ৬৭৮ ভোট, ছতারী কেন্দ্রে ধানের শীষ ১৬১৩, নৌকা ৯৯৮ ভোট, বাঘা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষ ১৬৫৯, নৌকা ৬৩৩, বানীয়াপাড়ায় ধানের শীষ ১২৬০, নৌকা ১১৩৬ ভোট, গাওপাড়া কেন্দ্রে ধানের শীষ ১৫৯৩, নৌকা ১১৯৪ ভোট, মশিদপুর কেন্দ্রে ধানের শীষ ১৩০৮, নৌকা ৮৮২, নারায়নপুর কেন্দ্রে ধানের শীর্ষ ১২৮৪, নৌকা ১৪০৩, পাকুড়ীয়া ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষ ৮৬৫ নৌকা ১৪৩৩ ও কালিদাসখালি ভোট কেন্দ্রে ধানের শীষ ৮৬১ নৌকা ১৭৮৮ ভোট।
নবনির্বাচিত মেয়র আবদুর রাজ্জাক জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাঘা পৌরসভার মেয়র ছিলেন। প্রায় একযুগ আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আক্কাস আলীর কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন।
সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় প্রায় একযুগ এ পৌরসভার নির্বাচন। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই মেয়র ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্কাস আলী। তার হাত ধরেই তৃতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে উঠে আসে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপির নির্বাচনী এলাকার এই পৌরসভা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পৌরসভা এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ করা হয়। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়েই ভোট দেন পৌরবাসী। সবগুলো কেন্দ্রকে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভোট গ্রহণের সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মেয়র পদে দুইজন ছাড়াও এবারের নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.