লাখো মানুষের ভালবাসায় চিরবিদায় তরিকুলের

369

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলার নেতাকর্মী ও যশোরের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা-ভালবাসায় চিরবিদায় নিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম।

সোমবার বাদ আসর যশোর শহরের ঈদগাহ ময়দানে তার নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে লাখো মানুষ অংশ নেন। জানাযা শেষে শহরের কারবালা কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে থাকে দাফন করা হয়।

জানাযার আগে তরিকুল ইসলামের কফিন বিএনপির দলীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এরপর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস-চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

জানাযা নামাজের আগে মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন তরিকুল ইসলামের বড় ছেলে শান্তুনু ইসলাম সুমিত, ছোট ছেলে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
ছোট ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘আমার বাবা আপনাদের সমর্থনে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। চারবার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আপনাদের কল্যাণে কাজ করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শ ধারণ করেছেন আমৃত্যু। আমিও যেন বাবার মতো আপনাদের পাশে থাকতে পারি, সে দোয়া করবেন।’
রোববার বিকেলে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তরিকুল ইসলাম যশোর সদর থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসার আগে তিনি দলের ভাইস-চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যানও ছিলেন তরিকুল ইসলাম।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.