৪ নভেম্বর রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে স্টান্ডার্ড টাইম

394

নিউজবিডিইউএস ডেস্কঃ৪ নভেম্বর রবিবার শেষ হচ্ছে’ডে লাইট সেভিং’ টাইম শুরু হচ্ছে স্টান্ডার্ড টাইম।শনিবার দিবাগত রাত দুইটায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে যাবে। অর্থাৎ রোববার থেকে ঘড়ির কাঁটা যখন তিনটার ঘর ছুঁয়ে যাবে তখন এটিকে এক ঘন্টা পিছিয়ে দুইটার ঘরে নিয়ে আসতে হবে।11032018_20_DAYLIGHT_SAVINGS_USAরবিবার থেকে শুরু হওয়া  স্টান্ডার্ড টাইম  অব্যাহত থাকবে মার্চ ১০ রবিবার ২০১৯ পর্যন্ত।ষ্টান্ডার্ড টাইম চালু হলে ওয়াশিংটন ডিসিতে যখন রাত ১২টা বাংলাদেশে তখন সকাল ১১টা।প্রথম মহাযুদ্ধের সময় আমেরিকা এবং ইউরোপের একাংশজুড়ে দিনের আলো সাশ্রয়ের জন্য ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু হয়।১৯১৮ সালে মার্কিন কংগ্রেসে এ নিয়ে বিল উপস্থাপন করে দিনের আলো সাশ্রয়ের এ নিয়ম গৃহীত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু করার প্রথম চিন্তা করেন ১৭৮৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন। এ অঞ্চলে কানাডার থানডার নগরে ১৯০৮ সালে প্রথম ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু করা হয়। ইউরোপের জার্মানি প্রথম দেশ, যারা ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু করে ১৯১৬ সালে। একই বছরে যুক্তরাজ্যও চালু করে ‘ডে লাইট সেভিং’। ১৯১৮ সালে তা যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়। আমেরিকায় দীর্ঘদিন এটি চালু ছিল এপ্রিলের শেষ রোববার থেকে অক্টোবর মাসের শেষ রোববার পর্যন্ত। ২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সময়, জ্বালানি আইনের সঙ্গে ‘ডে লাইট সেভিং’ সময় আরও চার সপ্তাহ বাড়িয়ে দেন। এখন যা মার্চ মাস থেকে শুরু হয়ে নভেম্বর মাস পর্যন্ত চালু থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্র এটি মানা হয় না। ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে অ্যারিজোনা এবং হাওয়াই ছাড়া ৪৮টি অঙ্গরাজ্যে ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু আছে। বর্তমানে বিশ্বের ৭০টি দেশে পুরো না হলেও আংশিকভাবে এটি চালু আছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.